সাতক্ষীরার প্রতিনিধিঃ সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে আটুলিয়া ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মোঃ আল আমিন ,যুগ্ম আহ্বায়ক জি এম হাবিবুল্লাহ সাবেক মেম্বার আবুল কালাম রা অবৈধভাবে বালু উত্তোলন অর্ধ কোটি টাকার মালিক।

সাতক্ষীরা শ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদী এখন প্রভাবশালী লুটেরাদের কবলে । বালুখেকোদের তাণ্ডব থামাতে পারছে না কেউই। নিয়ম-নীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কোটি টাকার সরকারি ইজারামূল্য ফাঁকি দিয়ে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন অবৈধ খননযন্ত্র (ড্রেজার) বসিয়ে ভূগর্ভস্থ উৎস থেকে অবাধে চলছে বেআইনি বালু উত্তোলন ,হয়েছেন অর্ধ কোটি টাকা মালিক , এ যেন আলাউদ্দীন এর চেরাক হাতে পেয়েছেন তারা।

কোথাও কোথাও সমুদ্র ড্রেজিং এর কাজে ব্যবহৃত খননযন্ত্র দিয়েও চলছে বালু উত্তোলন।

 

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি একটু রাত হলেই বালু উত্তোলনের মেতে উঠেছেন আটুলিয়া ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ হাবিবুল্লাহ ও যুবদলের আহ্বায়ক গাজী আল আমিন,আটুলিয়া ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার মোঃ আবুল বাশার সহ বিএনপি’র অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

কিন্তু এনিয়ে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনোই তৎপরতা নেই। তাদের ভূমিকা রহস্যজনক।

অবৈধ বালু উত্তোলন দুই একজনকে গ্রেফতার করলেও বড় বড় রাঘব বোয়ালরা ধরা ছোয়ার বাইরে অভিযোগ রয়েছে- সংশ্লিষ্টদের ম্যানেজ করেই চলছে এই বালু লোপাট।

যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ হাবিবুল্লাহ বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার হওয়ার পরে বেপরোয়া হয়ে উঠছেন এই হাবিবুল্লাহ ।

অবৈধ বালি উত্তোলনের বিরুদ্ধেতা করতে যে হামলা শিকার হন আটুলিয়া ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক মোঃ আশরাফুর জামান হেলাল।

গত দুইদিন আগেও কেউড়া তলা মার্কেট সালামের দোকানের দক্ষিণ পাশে হাবিবুল্লাহ নেতৃত্বে বালি উত্তোলন হয়।এবিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের তেমন কোন ভুমিকা নেই।

নাম প্রকাশে আনস্কুক একজন ব্যক্তি বলেন এই হাবিবুল্লাহ এখন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে দলের নাম ভাঙিয়ে সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অবৈধ ভাবে বালি উত্তোলন করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

এই বালি উত্তোলন পিছনে আটুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপি ও উপজেলা বিএনপির অনেক নেতা কর্মীদের সম্পৃক্ত আছেন বলে মন্তব্য করেন অনেকেই।

বালি উত্তোলনের বিষয়ে শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামসুজ্জাহান ‌কণক বলেন, নদীর চর থেকে বালু উত্তোলনের বিষয়টি আমার জানা ছিল না। এ নিয়ে আমাকে কেউ অবহিত করেনি। এমনটি হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।