প্রস বিজ্ঞপ্তি
গত ২৯ জুলাই চাঁদা না পেয়ে চিংড়িঘের দখলের একটি সংবাদ সম্মেলন প্রকাশিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানান শ্যামনগর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আনোয়ারুল ইসলাম (আঙ্গুর) ।
গভীর দুঃখ ও ক্ষোভের সঙ্গে জানিয়েছেন যে, সম্প্রতি কিছু অনলাইন ও প্রিন্ট মিডিয়ার আমার বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।
উক্ত সংবাদটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানিকর। আমরা স্পষ্টভাবে জানাচ্ছি যে, আমরা কোনোভাবেই চিংড়িঘের দখলের সাথে সম্পৃক্ত নেই।
বিএনপি কর্মী পরিচয়দানকারী রফিকুল ইসলাম কর্তৃক সংবাদ সম্মেলনে আনীত “চাঁদা দাবি ও চিংড়িঘের দখল” সংক্রান্ত সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং সম্মানহানি করার চক্রান্তের তীব্র প্রতিবাদ ও ধিক্কার জানাচ্ছি।
প্রকৃত সত্য হলো, উল্লেখিত জমি বা চিংড়িঘের দখল বা কারো কাছ থেকে কোনো প্রকার চাঁদা দাবি করার ঘটনার সাথে আমার বিন্দুমাত্র কোনো সম্পৃক্ততা নেই। রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে আমাকে এবং আমার দল জাতীয়তাবাদী যুবদলকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে একটি স্বার্থান্বেষী মহলের প্ররোচনায় এই কাল্পনিক নাটক সাজানো হয়েছে।
বিষয়টির প্রকৃত ব্যাখ্যা:
১. আইনি বিষয় ও গ্রেফতার: রফিকুল ইসলামের গ্রেফতার সংক্রান্ত বিষয়টি সম্পূর্ণ থানা পুলিশ ও আদালতের আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়। সেখানে আমাকে বা আমার রাজনৈতিক পরিচয়কে জড়িয়ে মিথ্যা মামলা বা রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর যে দাবি করা হয়েছে, তা অবান্তর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আইনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে যুবদলের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা অত্যন্ত দুঃখজনক।
২. অপপ্রচারের কৌশল: আমার কোনো অবৈধ ব্যবসা বা কারো জমি/ঘের দখলের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই। আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী ও স্থানীয় কিছু দখলদার গোষ্ঠী নিজেদের অপকর্ম ঢাকতে এবং যুবদলের ওপর দায় চাপিয়ে সুবিধা হাসিলের জন্য রফিকুল ইসলামকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে।
৩. প্রেসক্লাব ও অন্যান্য অভিযোগ: সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্য যেসব মামলার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলোও সম্পূর্ণ পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা নিরপেক্ষ যেকোনো তদন্তের মাধ্যমে ঘটনাগুলোর সত্যতা যাচাই করার জন্য আমি বিনীত আহ্বান জানাচ্ছি।
আমি স্পষ্ট ভাষায় জানাতে চাই—জাতীয়তাবাদী যুবদল কখনো কোনো প্রকার চাঁদাবাজি, দখলবাজি বা সাধারণ মানুষের ওপর অন্যায়-অত্যাচার সমর্থন করে না। আমি সবসময় সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষায় কাজ করে আসছি।
রফিকুল ইসলাম কর্তৃক সংবাদ সম্মেলনে আমার নামে আনীত সকল মিথ্যা ও বানোয়াট বক্তব্য প্রত্যাহার করার আহ্বান জানাচ্ছি। একইসাথে সাংবাদিক ভাইদের প্রতি অনুরোধ, বস্তুনিষ্ঠ তদন্ত ছাড়া এ ধরনের একপেশে ও মিথ্যা অভিযোগে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। এ ধরনের অপপ্রচার না থামালে আমি আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণে বাধ্য হব।
প্রতিবাদকারী:
আনোয়ারুল ইসলাম (আঙ্গুর)
সদস্য সচিব, শ্যামনগর উপজেলা যুবদল
সাতক্ষীরা।