মোঃ মোর্শেদ আলম মুন্না খান

জালিমের কারাগারে কেটেছে কত রাত,
তৃষ্ণার্ত ঠোঁটে ছিল না এক ফোঁটা জল—
ক্ষুধার্ত শরীর চেয়েছে শুধু একটু খাবার,
নিরব কারাকক্ষে জমেছে দীর্ঘশ্বাসের ঢল।

ফোনের ওপারে আপনজন,
কণ্ঠটা শোনার আকুলতা—
কিন্তু যোগাযোগের দরজা বন্ধ,
নিঃসঙ্গতাই যেন ছিল একমাত্র সঙ্গী।

বাহাত্তর ঘণ্টা লকাপের অন্ধকার,
সময় তখন থমকে থাকা ঘড়ি,
পরিবার জানে না কেমন আছি,
আমিও জানি না কবে খুলবে বন্দিত্বের দ্বারটি।

একটার পর একটা অভিযোগ,
একটার পর একটা নির্যাতনের কথা,
তবুও বুকের ভেতর প্রশ্ন জাগে—
ন্যায়ের দেশে কেন এত নীরবতা?

ইউনুস সরকারের আমলে—
এমন অভিযোগ যদি সত্য হয়ে থাকে,
তবে ইতিহাস একদিন প্রশ্ন করবে,
কারা কাঁদিয়েছিল বন্দির চোখকে?

কারাগারের দেয়াল চুপ থাকতে পারে,
লোহার শিকল কথা বলতে পারে না,
কিন্তু মানুষের কষ্টের স্মৃতি
কোনোদিন মুছে যায় না।

আজ যে কান্না চাপা পড়ে অন্ধকারে,
কাল সে কান্নাই হবে সাক্ষী—
অন্যায়ের বিরুদ্ধে মানুষের কণ্ঠ
একদিন উঠবেই আরও শক্ত হয়ে।

যে জুলুম চালিয়েছে দিনের পরে দিন,
আমরা কেমন করে শোধ করবিবো ইউনুস তোর ঋণ।
মুছিবে সকল ঋণ, সকল রাজবন্দীদের মিথ্যা মামলা থেকে মুক্তি দিন।