এবার ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতারা। একে আত্মসমর্পণের দলিল বলে অভিহিত করেছেন তারা। ক্যালিফোর্নিয়ার সিনেটর অ্যাডাম শিফ সামাজিক মাধ্যম এক্সে লেখেন, ‘প্রেসিডেন্ট বলছেন যুদ্ধ শেষ। আমি আশা করি তিনি ঠিকই বলছেন। কিন্তু আমরা এ কথা আগেও শুনেছি। সঙ্গে ছিল একগাদা ভাঙা প্রতিশ্রুতি।’

তিনি আরো বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট নতুন যুদ্ধ শুরু করেছেন, কিন্তু খরচ কমাননি। আর এটা আমেরিকার জনগণের গভীর ক্ষতি করেছে।’ এদিকে, কংগ্রেসম্যান সেথ মল্টন এই সম্ভাব্য চুক্তিটিকে ‘মূলত একটি আত্মসমর্পণ দলিল’ বলে বর্ণনা করেছেন। মল্টন এমএস নাউকে বলেন, ‘এটা একটা ভয়াবহ চুক্তি! এটা মূলত ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার কাছে একটি আত্মসমর্পণ দলিল।’

তিনি আরো বলেন, ‘করদাতাদের ১০০ বিলিয়ন ডলার ইতোমধ্যে এই যুদ্ধে ব্যয় করা হয়েছে, ১৪ জন আমেরিকান নিহত হয়েছেন। এসবের বিনিময়ে আমরা এমন একটি চুক্তি পাচ্ছি যা শুধু সেই প্রণালিটিকেই আবার উন্মুক্ত করছে, যা এই নির্বোধ যুদ্ধ শুরুর আগে খোলা–ই ছিল। এটাকে কীভাবে বিজয় বলা যায়?’

তবে ট্রাম্প উল্টো সাবেক ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে নিশানা বানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘বারাক ওবামা জেসিপিওএ নামে যে চুক্তি করেছিলেন, সেটি ছিল ইরানের জন্য পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সহজ, সুন্দর পথ। সে চুক্তি বাতিল না করলে তার মাধ্যমে ইরান ছয় বছর আগে পারমাণবিক অস্ত্র বানিয়ে ইতোমধ্যে ব্যবহারও করে ফেলত। কিন্তু ইরানের সঙ্গে আমার চুক্তিটি ঠিক এর উল্টো—পারমাণবিক অস্ত্রের বিরুদ্ধে এক দুর্ভেদ্য প্রাচীর! প্রকৃতপক্ষে, তারা আর পারমাণবিক অস্ত্র চায় না। তারা কোনোভাবেই এই অস্ত্র সংগ্রহ করতে পারবে না।