মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াত নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়া বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর মরদেহ দাফন সম্পন্ন হলেও তাঁর পরিবারের সদস্যদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। ভীতি ও হুমকির মুখে তাঁর স্ত্রী, সন্তান এবং পুত্রবধূরা ঘর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন এবং বাড়িটি বর্তমানে জনশূন্য অবস্থায় রয়েছে।
দাফন ও জানাজায় বাধা: ২৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮৭ বছর বয়সী মানিক পশারী মৃত্যুবরণ করেন। এরপর পিরোজপুরের চিতলিয়া গ্রামে তাঁর মরদেহ আনা হলে স্থানীয় জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মী ও গ্রামবাসীদের একাংশের বাধার মুখে পড়তে হয়। এমনকি প্রথমে খোঁড়া একটি কবর ভরাট করে দেওয়া হয় এবং মরদেহ দাফন করতে না দেওয়ার জন্য মিছিল-স্লোগান করা হয় বলে তাঁর পরিবার অভিযোগ করেছে। পরবর্তীতে পুলিশের কড়া নিরাপত্তা ও প্রশাসনের উপস্থিতিতে গভীর রাতে তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়।
কবর খোঁড়া নিয়ে বিতর্ক: স্থানীয়দের অসহযোগিতার কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি ছড়িয়ে পড়ে যে মানিক পশারীর পরিবারের নারী সদস্যরা (স্ত্রী, বোন ও মেয়ে) নিজেরাই কবর খুঁড়ছেন। তবে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে নারীদের পাশাপাশি প্রশাসন ও স্থানীয় আরও কয়েকজন পুরুষও কবর খোঁড়ার কাজে অংশ নিয়েছিলেন।
পরিবারের বর্তমান অবস্থা ও আতঙ্ক: দাফন সম্পন্ন হওয়ার পর থমথমে পরিস্থিতিতে মানিক পশারীর চিতলিয়া গ্রামের বাড়িটিতে এক ভুতুড়ে নীরবতা নেমে এসেছে। নিরাপত্তার চরম শঙ্কার কারণে তাঁর স্ত্রী, মেয়ে ও পুত্রবধূরা বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন। তাঁর ছোট বোন হেনা পশারী গণমাধ্যমকে জানান যে তাঁদের বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার, পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা করার এবং শিশুদের বাইরে বের হতে না দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
অভিযোগ ও রাজনৈতিক অবস্থান: মানিক পশারীর পরিবারের পক্ষ থেকে স্থানীয় জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীদের দিকে অভিযোগের আঙুল তোলা হলেও স্থানীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। সাঈদীর ছেলে মাসুদ সাঈদী এক ফেসবুক পোস্টে জানান, দাফন বা জানাজায় তাঁদের আপত্তি ছিল না, তবে তাদের আপত্তি ছিল ‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা (গার্ড অব অনার) দেওয়ার ক্ষেত্রে।
তদন্ত কমিটি ও নিন্দা: মরদেহ দাফনে বাধা ও বিশৃঙ্খলার এই ঘটনা তদন্তে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে দুই সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। অন্যদিকে, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠন এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং যেকোনো নাগরিকের দাফন ও শেষ বিদায়ের ন্যূনতম মানবিক ও ধর্মীয় অধিকার নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছেন।
বর্তমানে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে মানিক পশারীর কবরের পাশে ও এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে।
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াত নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়া বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর মরদেহ দাফন সম্পন্ন হলেও তাঁর পরিবারের সদস্যদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। ভীতি ও হুমকির মুখে তাঁর স্ত্রী, সন্তান এবং পুত্রবধূরা ঘর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন এবং বাড়িটি বর্তমানে জনশূন্য অবস্থায় রয়েছে।
দাফন ও জানাজায় বাধা: ২৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮৭ বছর বয়সী মানিক পশারী মৃত্যুবরণ করেন। এরপর পিরোজপুরের চিতলিয়া গ্রামে তাঁর মরদেহ আনা হলে স্থানীয় জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মী ও গ্রামবাসীদের একাংশের বাধার মুখে পড়তে হয়। এমনকি প্রথমে খোঁড়া একটি কবর ভরাট করে দেওয়া হয় এবং মরদেহ দাফন করতে না দেওয়ার জন্য মিছিল-স্লোগান করা হয় বলে তাঁর পরিবার অভিযোগ করেছে। পরবর্তীতে পুলিশের কড়া নিরাপত্তা ও প্রশাসনের উপস্থিতিতে গভীর রাতে তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়।
কবর খোঁড়া নিয়ে বিতর্ক: স্থানীয়দের অসহযোগিতার কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি ছড়িয়ে পড়ে যে মানিক পশারীর পরিবারের নারী সদস্যরা (স্ত্রী, বোন ও মেয়ে) নিজেরাই কবর খুঁড়ছেন। তবে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে নারীদের পাশাপাশি প্রশাসন ও স্থানীয় আরও কয়েকজন পুরুষও কবর খোঁড়ার কাজে অংশ নিয়েছিলেন।
পরিবারের বর্তমান অবস্থা ও আতঙ্ক: দাফন সম্পন্ন হওয়ার পর থমথমে পরিস্থিতিতে মানিক পশারীর চিতলিয়া গ্রামের বাড়িটিতে এক ভুতুড়ে নীরবতা নেমে এসেছে। নিরাপত্তার চরম শঙ্কার কারণে তাঁর স্ত্রী, মেয়ে ও পুত্রবধূরা বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন। তাঁর ছোট বোন হেনা পশারী গণমাধ্যমকে জানান যে তাঁদের বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার, পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা করার এবং শিশুদের বাইরে বের হতে না দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
অভিযোগ ও রাজনৈতিক অবস্থান: মানিক পশারীর পরিবারের পক্ষ থেকে স্থানীয় জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীদের দিকে অভিযোগের আঙুল তোলা হলেও স্থানীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। সাঈদীর ছেলে মাসুদ সাঈদী এক ফেসবুক পোস্টে জানান, দাফন বা জানাজায় তাঁদের আপত্তি ছিল না, তবে তাদের আপত্তি ছিল ‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা (গার্ড অব অনার) দেওয়ার ক্ষেত্রে।
তদন্ত কমিটি ও নিন্দা: মরদেহ দাফনে বাধা ও বিশৃঙ্খলার এই ঘটনা তদন্তে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে দুই সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। অন্যদিকে, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠন এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং যেকোনো নাগরিকের দাফন ও শেষ বিদায়ের ন্যূনতম মানবিক ও ধর্মীয় অধিকার নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছেন।
বর্তমানে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে মানিক পশারীর কবরের পাশে ও এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে।