তথ্য অধিদপ্তর শুধু মাইকিং অধিদপ্তরে পরিনত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আহমেদ আবু জাফর।

এই অধিদপ্তর দিয়ে সাংবাদিকদের কোনো কাজে আসছে বলে বারবার তার প্রমান দেখাতে ব্যর্থ হচ্ছেন কর্তৃপক্ষ। বিভিন্ন পেশাজীবি মানুষকে সাথে নিয়ে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর গুলো কাজ করে। যেমন; শিক্ষা অধিদপ্তর শুধু শিক্ষা বিভাগ নিয়ে কাজ করেন। মৎস্য অধিদপ্তর মৎস্যজীবী জেলেদের নিয়ে কাজ করেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর স্বাস্থ্য বিভাগ নিয়ে কাজ করেন। কৃষি অধিদপ্তর কৃষকদের নিয়ে, ধর্ম বিষয়ক অধিদপ্তর ধর্ম নিয়ে কাজ করছেন। কিন্তু তথ্য অধিদপ্তর সব অধিদপ্তরের প্রচারণা চালাচ্ছে, যা মাইকিং অধিদপ্তর হিসেবে সাংবাদিকদের কাছে পরিচিতি লাভ করছে। দেশ গঠনের ৫৫ বছরে এই অধিদপ্তরটি সাংবাদিকদের কল্যাণে উল্লেখযোগ্য কোন অগ্রগতি দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন। তথ্য অধিদপ্তরকে সাংবাদিকদের একক মন্ত্রণালয় বা অধিদপ্তর হিসেবে গড়ে তোলার দাবি জানানো হয়েছে। একই সাথে সাংবাদিক সুরক্ষা আইন, সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়ন, সাংবাদিক নিয়োগ নীতিমালা প্রণয়নসহ পেশার মৌলিক দাবি নিয়ে সরকারকে এখনই ভাবা উচিত। তিনি শনিবার রাজধানীর ক্রীড়া পরিষদ মিলনায়তনে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ৪৫তম জাতীয় সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেছেন।

সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন। তিনি সাংবাদিকদের কল্যাণে সরকারের গৃহীত নানা ধরনের উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।

প্রধান বক্তা ছিলেন বিএফইউজে সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন। এসময় ৬৪ জেলা থেকে আগত জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

সম্মেলনে আলমগীর গনিকে সভাপতি এবং মনজুর হোসেনকে নতুন নেতৃত্বের প্রস্তাব করে কমিটি ঘোষণা করেন মরহুম আলতাফ হোসেনের স্ত্রী আছিয়া বেগম।

সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সাবেক মহাসচিব আলমগীর গনি। এ সময় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ সংগঠনের ২১ দফা দাবি মেনে নিতে সরকারের নিকট আহবান জানান।