দৈনিক জনতার কণ্ঠস্বর ২৪
১৮ জুন ২০২৬, ১:২১ পূর্বাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

অবৈধ অস্ত্রের দাপট: ভয় কার অপরাধীর, নাকি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ?

৩১

দিন হোক কিংবা রাত। অন্ধকার কিংবা আলোর মধ্যে হঠাৎ ভেসে আসে গুলির শব্দ। ব্যস্ত সড়ক, বাজার কিংবা মহাসড়কে প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়া। রাজনৈতিক বিরোধ, আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি কিংবা ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব—সব কিছুর মধ্যেই যেন আবার ফিরে আসছে আগ্নেয়াস্ত্রের ভয়ংকর উপস্থিতি। একইসঙ্গে বাড়ছে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনাও।

অভিযানে গেলে আক্রান্ত হচ্ছেন পুলিশ সদস্যরা। টহল দলকে ঘিরে হামলা হচ্ছে, থানায় হামলা ও আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনাও ঘটছে। ফলে সাধারণ মানুষের মনে নতুন করে প্রশ্ন জেগেছে—যে পুলিশ নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে, সেই পুলিশই যদি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে, তাহলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করবে কে? পুলিশকেই বা রক্ষা করবে কে?

গত শনিবার (১৩ জুন) দুপুর দেড়টা। চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার চৌমুহনী বাজার এলাকায় তখন স্বাভাবিক ব্যস্ততা। মানুষ কেনাকাটা ও দৈনন্দিন কাজে ব্যস্ত। এমন সময় একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা থেকে নেমে আসে কয়েকজন অস্ত্রধারী। তাদের মধ্যে কোনও তাড়াহুড়া নেই, নেই লুকোচুরির চেষ্টা। প্রকাশ্যেই তারা গুলি চালায় উপজেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদুল হক চৌধুরীকে লক্ষ্য করে। একের পর এক গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে যায় তার শরীর। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার। আতঙ্কিত মানুষ ছোটাছুটি শুরু করলেও হামলাকারীরা নির্বিঘ্নে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে আদাবর থানার শেখেরটেকে মঙ্গলবার (১৬ জুন) দেখা যায় আরেকটি ভয়াবহ দৃশ্য। প্রতিদিনের মতো বিকাশ এজেন্ট শফিকুল ইসলাম দোকান খুলে বসেছিলেন। বেলা ১১টার দিকে স্থানীয়ভাবে পরিচিত ‘কব্জিকাটা গ্রুপে’র কয়েকজন সদস্য চাপাতি নিয়ে দোকানে ঢুকে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করে তিন লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয়।

পরে খবর পেয়ে আদাবর থানা পুলিশ তাদের আস্তানায় অভিযান চালাতে গেলে সন্ত্রাসীরা সংঘবদ্ধভাবে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। চাপাতির আঘাতে আহত হন আদাবর থানার ওসিসহ দুই পুলিশ কর্মকর্তা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আত্মরক্ষার্থে পুলিশ গুলি চালালে দুই সন্ত্রাসী আহত হয়।

এর একদিন আগে, সোমবার (১৫ জুন) লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় সাত বছরের এক শিশু ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ব্যক্তিকে ছিনিয়ে নিতে বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এতে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের গাড়িসহ অন্তত সাতটি সরকারি যানবাহন ভাঙচুর করা হয়। আহত হন এসপি, ওসিসহ ২০ থেকে ৩০ জন পুলিশ সদস্য।

ঘটনাগুলো দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে ঘটেছে। কিন্তু অপরাধ বিশ্লেষক ও মানবাধিকারকর্মীদের মতে, এগুলো একই ধরনের একটি সংকেত বহন করছে—অপরাধী ও সহিংস গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে চ্যালেঞ্জ করার প্রবণতা বাড়ছে। এটি শুধু আইনশৃঙ্খলার প্রশ্ন নয়—রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব, বিচারব্যবস্থা এবং নাগরিক আস্থার সঙ্গেও সরাসরি সম্পর্কিত।

কেন আলোচনায় অস্ত্র ও পুলিশের নিরাপত্তা

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে দেশের বিভিন্ন স্থানে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, গুলিবিনিময়, সশস্ত্র হামলা এবং পুলিশের ওপর আক্রমণের ঘটনা বাড়তি উদ্বেগ তৈরি করেছে। নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা, স্থানীয় আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি এবং অপরাধ অর্থনীতির নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে সহিংসতার মাত্রা বেড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, অপরাধীরা আগের তুলনায় বেশি সংঘবদ্ধ। অনেক ক্ষেত্রে তারা পুলিশের উপস্থিতিকেও ভয় করছে না। ফলে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্যদের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

ভয়ের ভারসাম্য বদলে যাচ্ছে?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হক বলেন, ‘‘দিনের আলোয় প্রকাশ্যে গুলি চালানো শুধু একটি হত্যাকাণ্ড নয়, এটি একটি শক্তির প্রদর্শন।’’

তার ভাষায়, যখন অপরাধীরা দিনের আলোয় গুলি চালায়, তখন তারা শুধু একজনকে হত্যা করে না—তারা এলাকাবাসীকে বার্তা দিতে চায় যে তারাই শক্তিশালী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নয়।

তিনি বলেন, ‘‘অতীতে অপরাধীরা পুলিশের উপস্থিতি এড়িয়ে চলার চেষ্টা করতো। কিন্তু এখন অনেক ক্ষেত্রে তারা সরাসরি সংঘর্ষে জড়াতে দ্বিধা করছে না। এটা রাষ্ট্রের কর্তৃত্বকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করার প্রবণতার ইঙ্গিত দেয়।’’

রাউজান, মোহাম্মদপুর এবং লালমনিরহাটের ঘটনাগুলোর মধ্যে একটি সাধারণ মিল রয়েছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। সেটি হলো, ভয়ের ভারসাম্য বদলে যাওয়া। আগে অপরাধীরা পুলিশকে ভয় পেতো। এখন অনেক ক্ষেত্রে তাদের ধারণা জন্মেছে—সংঘবদ্ধ শক্তি ব্যবহার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও প্রতিরোধ করা সম্ভব।

কেন বাড়ছে এই সাহস

বিশ্লেষকদের মতে, কয়েকটি কারণ একসঙ্গে কাজ করছে। অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার, স্থানীয় আধিপত্যের রাজনীতি, বিচারহীনতার সংস্কৃতি এবং সামাজিক বা রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয় অনেক অপরাধীকে সাহস জোগাচ্ছে। যখন কোনও অপরাধী জানে যে তার হাতে অস্ত্র আছে এবং পেছনে প্রভাবশালী ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সমর্থন রয়েছে, তখন সে পুলিশের সঙ্গেও সংঘর্ষে জড়াতে সাহস পায়।

এ ছাড়া অতীতের কিছু বিতর্ক, মানবাধিকার প্রশ্ন এবং রাজনৈতিক ব্যবহারের অভিযোগের কারণে পুলিশের প্রতি জনআস্থার যে ঘাটতি তৈরি হয়েছে, অপরাধীরা অনেক সময় সেই পরিস্থিতিরও সুযোগ নেয় বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাউজানের প্রকাশ্য হত্যাকাণ্ড, মোহাম্মদপুরে পুলিশের ওপর সশস্ত্র হামলা কিংবা লালমনিরহাটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে লক্ষ্য করে সহিংসতা—এসব ঘটনা বিচ্ছিন্ন নয়। এগুলো এমন এক বাস্তবতার ইঙ্গিত দিচ্ছে, যেখানে অপরাধীরা শুধু সাধারণ মানুষকে নয়, রাষ্ট্রের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকেও চ্যালেঞ্জ করার সাহস পাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে ধারাবাহিক অভিযান, রাজনৈতিক ও সামাজিক আশ্রয়-প্রশ্রয় বন্ধ, দ্রুত বিচার এবং জনসম্পৃক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়া এই প্রবণতা মোকাবিলা করা কঠিন হবে।

কারণ শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটি শুধু পুলিশের নিরাপত্তার নয়। প্রশ্নটি রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব, আইনের শাসন এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে।

পুলিশের সংকট, নাকি রাষ্ট্রের?

মানবাধিকারকর্মী নূর খান লিটন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘‘পুলিশের ওপর হামলা আসলে পুলিশের একার সংকট নয়, এটি আইনের শাসনের ওপর সরাসরি আঘাত।’’

তার মতে, সব জায়গায় পুলিশের ওপর হামলা হচ্ছে না। যেসব এলাকায় অপরাধপ্রবণতা বেশি, সেসব এলাকাতেই মূলত এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। এ জন্য মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান চালাতে হবে। তিনি বলেন, ‘‘রাজনৈতিক সদিচ্ছা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর পদক্ষেপ এবং জনগণের অংশগ্রহণ—এই তিনটি বিষয় একসঙ্গে কাজ না করলে পরিস্থিতির উন্নতি কঠিন হবে।’’

নূর খান লিটনের মতে, কমিউনিটি পুলিশিং জোরদার, জনআস্থা পুনর্গঠন, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি বৃদ্ধি এবং ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানে বিশেষায়িত ইউনিট ব্যবহারের বিকল্প নেই।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘‘আমাদের বার্তা পরিষ্কার। চাঁদাবাজ, ছিনতাইকারী, অস্ত্রধারী এবং যেকোনও অপরাধীর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ যদি অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা করে, তাহলে আত্মরক্ষার্থে প্রয়োজনীয় বল প্রয়োগ করা হবে।’’

তিনি বলেন, ‘‘পুলিশ সবসময় ন্যূনতম বল প্রয়োগের নীতি অনুসরণ করে। কিন্তু পুলিশ সদস্যদের জীবন ঝুঁকিতে পড়লে আত্মরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়া বিকল্প থাকে না।’’

পুলিশ সদর দফতরের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) খন্দকার রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘‘কর্মক্ষেত্রে পুলিশ সদস্যদের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। যারা পুলিশের ওপর হামলা বা বাধা সৃষ্টি করছে, তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’

অ্যধাপক ড. তৌহিদুল হক বলেন, ‘‘গত এক বছর ধরেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনা ধারাবাহিকভাবে ঘটছে। অনেক ক্ষেত্রে আইন প্রয়োগ করতে গেলেই পুলিশ বাধার মুখে পড়ছে। কখনও মামলায় নাম অন্তর্ভুক্ত বা বাদ দেওয়ার জন্য চাপ, কখনও থানা থেকে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটছে।’’

তার মতে, এসব ঘটনা পুলিশের আইন প্রয়োগের নৈতিক শক্তিকে দুর্বল করে দিচ্ছে এবং বাহিনীর সদস্যদের পেশাগত আত্মবিশ্বাস ও মনোবলেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

তিনি বলেন, ‘‘হামলাকারীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা না গেলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ আরও কঠিন হয়ে পড়বে। ‘অপরাধী যেই হোক, কোনও ছাড় নয়’—এই বার্তা রাজনৈতিক পরিচয়সহ সব শ্রেণির অপরাধীর কাছে স্পষ্টভাবে পৌঁছে দিতে হবে।

মন্তব্য করুন

[wpdevart_facebook_comment curent_url="https://dainikjonotarkonthosor24.com/2026/06/18/%E0%A6%85%E0%A6%AC%E0%A7%88%E0%A6%A7-%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%9F-%E0%A6%AD%E0%A7%9F-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0/" order_type="social" title_text="" title_text_color="#000000" title_text_font_size="22" title_text_font_famely="monospace" title_text_position="left" width="100%" bg_color="#d4d4d4" animation_effect="random" count_of_comments="3" ]
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

অবৈধ অস্ত্রের দাপট: ভয় কার অপরাধীর, নাকি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ?

বাবা মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বলা সেই জামায়াত এমপির বাবা এখনো বেঁচে আছেন

পর্যটনের নতুন সম্ভাবনা বরগুনার নিদ্রার চর

সাদাপাথর লুট মামলার আসামিকে নিয়ে প্রতিমন্ত্রীর সফর দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা

ভাঙ্গা থেকে পায়রা পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণে সহায়তা করতে চায় চীন-কোরিয়া!

বাকেরগঞ্জে মুরগির খামারের বিষ্ঠার দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী প্রতিকার পেতে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ মিছিল!

রিয়াদের আজিজিয়া থেকে হবিগঞ্জের যুবক অপহরণ, মুক্তিপণ নিয়েও নিখোঁজ

পাঁচবিবিতে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ ২’জনকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ

দিনাজপুর বীরগঞ্জে প্রায় ৫ কেজি গাজা ও ৬০০ পিস ইয়াবাসহ কুখ্যাত মাদক বিক্রতা হাশেম গ্রেফতার

বান্দরবান সদর ইউনিয়নে উন্নয়ন কাজের দরপত্র: উপস্থিত ঠিকাদারদের সামনে উন্মুক্ত হলো সিডিউল বক্স

১০

সময়ের জনপ্রিয় দেশি খেজুর এখন পাখির খাদ্য

১১

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিজিবির অভিযানে ২,০৮৫ বোতল সিরাপ ও ইয়াবাসহ আটক ২, ট্রাক জব্দ

১২

বিশ্বম্ভরপুরের ফতেপুরে মাদকের ছোবল থেকে যুবসমাজকে রক্ষায় মানববন্ধন

১৩

‘কালিমা’-কে সম্মান দেখিয়ে বিশ্বকাপে মাটিতে নামানো হয়নি সৌদির পতাকা

১৪

কুড়িগ্রাম সীমান্তে মানবিক সংকট: শূন্যরেখায় দুই শিশুসহ পরিবারের অনিশ্চিত দিনযাপন

১৫

আদাবরে পুলিশের অভিযানে উত্তেজনা, আহত ওসি জাহিদ ও এসআই তরুণ; গ্রেফতার ৪

১৬

কলকাতায় আ.লীগ নেতাকর্মীদের তোপের মুখে মোশাররফ করিম দম্পতি

১৭

বিশ্বম্ভরপুরের ফতেপুরে মাদকের ছোবল থেকে যুবসমাজকে রক্ষায় মানববন্ধন

১৮

ফুলবাড়ীর গর্ব: বিজিবির সহকারী পরিচালক (এডি) পদে পদোন্নতি পেলেন আব্দুল্যাহ আল মামুন

১৯

ত্রিশালে কৃষির আধুনিকায়ন ও পুষ্টি উন্নয়নে ‘পার্টনার কংগ্রেস-২০২৬’ অনুষ্ঠিত

২০