স্টাফ রিপোর্টার
কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় ইউরোপে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে কয়েক কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে পেরুল উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আবুল বাসার ও তার শ্যালক সাফায়েত ইসলামের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সহজ-সরল মানুষের কাছ থেকে বিদেশে পাঠানোর কথা বলে বিপুল পরিমাণ অর্থ নেওয়ার পর তারা আত্মগোপনে চলে গেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকার মালিবাগের মৌচাক টাওয়ারে একটি অফিস দেখিয়ে তারা দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে পাঠানোর কার্যক্রম পরিচালনা করতেন। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বৈধভাবে পাঠানোর আশ্বাস দিয়ে লাখ লাখ টাকা নেওয়া হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি। ফলে বহু পরিবার এখন আর্থিক সংকটে পড়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, আবুল বাসারের বাড়ি উপজেলার আলীশ্বর এলাকায় হলেও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে তিনি এলাকায় অবস্থান করছেন না। অন্যদিকে, সাফায়েত ইসলামের বাড়ি বেলঘর দক্ষিণ ইউনিয়নের কেদারদুয়ার এলাকায় হলেও তাকেও দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় দেখা যাচ্ছে না বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
ভূলইন উত্তর ইউনিয়নের বাসিন্দা সোলাইমান বলেন, “আমার ছেলেকে ইউরোপে পাঠানোর কথা বলে দুই লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে। এখন তাদের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।”
একই ইউনিয়নের সদস্য আবদুল মতিন মজুমদার অভিযোগ করেন, “আমার ছেলেকে পর্তুগাল পাঠানোর কথা বলে ১০ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তারা আত্মগোপনে রয়েছে।”
অভিযুক্তদের সন্ধান না পাওয়ায় টাকা ফেরত পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন ভুক্তভোগীরা। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
মন্তব্য করুন