মুক্তিযুদ্ধের সময় শেখ মুজিবুর রহমানকে দেশের আপামর জনসাধারণ সমর্থন দিয়েছিল, তখন আওয়ামী লীগ ছিল প্রকৃত অর্থেই গণমানুষের দল। কিন্তু স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে দলটি ধীরে ধীরে স্বৈরাচারী রূপ ধারণ করে এবং তাদের মাথায় একদলীয় শাসনব্যবস্থার চিন্তা চেপে বসেছিল।
শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকেলে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলা অডিটোরিয়ামে গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) দুমকি উপজেলা শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী নূর আরও বলেন, আওয়ামী লীগ যেমন মানুষের ওপর অত্যাচার ও নির্যাতন চালিয়েছে, তেমনি তাদের আমলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নমূলক কাজও হয়েছে। তিনি বলেন, “পটুয়াখালীতে ইপিজেড ও পায়রা সমুদ্রবন্দর বাস্তবায়নের উদ্যোগ আওয়ামী লীগের আমলেই নেওয়া হয়েছিল, যা অস্বীকার করার সুযোগ নেই।”
পায়রা বন্দরের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই বন্দর পুরোপুরি চালু হলে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মান আমূল পরিবর্তিত হবে এবং এই অঞ্চলের অর্থনীতি অনেক বেশি গতিশীল হবে। একই সঙ্গে ভাঙ্গা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত চার বা ছয় লেনের মহাসড়ক নির্মাণ এখন সময়ের দাবি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
গণঅধিকার পরিষদ দুমকি উপজেলা শাখার আহ্বায়ক মো. মুন্না জহিরের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মো. নাসির উদ্দিন জুয়েলের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদের সদস্য কৃষিবিদ শহিদুল ইসলাম ফাহিম।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন—দুমকি উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বাহার উদ্দিন বাহার, প্রেস ক্লাব দুমকির সভাপতি জসিম উদ্দিন সুমন, বেসরকারি স্কুল ও কলেজ শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যক্ষ জামাল হোসেন এবং জলিশা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. সোহেল খান।
মতবিনিময় সভায় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
জেকে২৪/আরাফাত
মন্তব্য করুন