দৈনিক জনতার কণ্ঠস্বর ২৪ ডেক্স
৩০ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

শিবির’ দাবি করা আম্মার লাগামছাড়া

৪৯

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার পাঠাগারে শিক্ষার্থী পিটিয়ে আবার আলোচনায় এসেছেন। নিজেকে ‘পরিবেশগতভাবে শিবির’ দাবি করা এই ছাত্রনেতার বিরুদ্ধে উপ-উপাচার্যকে মারধর করা, জোর করে শিক্ষকদের পদত্যাগে বাধ্য করা, সাবেক ছাত্রলীগ নেতাকে পিটিয়ে হত্যায় নেতৃত্ব দেওয়াসহ গুরুতর নানা অভিযোগ আগে থেকেই রয়েছে। প্রায় প্রতিটি ঘটনারই ভিডিও ফুটেজ রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, শিক্ষক ও শিক্ষার্থী অনেকে বলছেন, আম্মারের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। তাঁর বিরুদ্ধে এর আগে তিনটি তদন্ত কমিটি হলেও কোনো প্রতিবেদন দেওয়া হয়নি। সাবেক উপাচার্য সালেহ হাসান নকীব এবং শুরু থেকে ছাত্রশিবিরের সমর্থনে আম্মার এমন লাগামহীন হয়ে উঠেছেন।

সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মাসুদ হত্যার ভিডিও
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর ৮ সেপ্টেম্বর রাতে রাজশাহীতে পিটিয়ে হত্যা করা হয় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা আব্দুল্লাহ আল মাসুদকে। আম্মারের নেতৃত্বে এই হত্যাকাণ্ড চালানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। সে সময়ের অনেক ভিডিওতে আম্মারের উপস্থিতি দেখা যায়। মাসুদকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার পর অটোরিকশায় করে থানায় নেওয়ার দৃশ্যেও আম্মারকে দেখা যায়।
রাবির সাবেক ছাত্রনেতা ও রাকসু আন্দোলনে সরব সংগঠন রাকসু আন্দোলন মঞ্চের আহ্বায়ক আব্দুল মজিদ অন্তর গতকাল মঙ্গলবার ফেসবুকের এক পোস্টে লিখেছেন, ‘এই সালাহউদ্দিন আম্মারের নেতৃত্বে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মাসুদকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। এক যুগ আগে শিবিরের হামলায় এক পা হারিয়েছিলেন মাসুদ। তার পর থেকে প্লাস্টিকের পায়ে ভর করে মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন মাসুদ। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ওষুধ কিনতে বাজারে গেলে তাঁকে ধরে নিয়ে গিয়ে পাটের বস্তায় ভরে পিটিয়ে মুমূর্ষু অবস্থায় টেনেহিঁচড়ে থানায় নিয়ে যায় আম্মার।’

সে সময় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, মুমূর্ষু অবস্থায় মাসুদকে বোয়ালিয়া থানা চত্বরে ফেলে রাখা হয়েছে। তিনি একটু পানির জন্য আকুতি করছেন। তাঁকে ঘিরে থাকা তরুণরা ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করছেন। সেখানে আম্মার ছিলেন বলেও ছাত্রলীগের অনেকে দাবি করেন। যদিও পরে মাসুদ হত্যার মামলায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়।

হত্যায় নেতৃত্ব দেওয়ার এ অভিযোগ অস্বীকার করে সে সময় এক বিবৃতিতে আম্মার বলেছিলেন, ‘আমি আম্মার, সেদিন বোয়ালিয়া থানাতে ঘটনাক্রমে উপস্থিত ছিলাম দুজন অভিযুক্ত ধর্ষককে নিয়ে। সেই সময় ঘটনার শেষে মাসুদ ভাইকে আনা হয়। বোয়ালিয়া থানাতে প্রচণ্ড আহত অবস্থায় আসে মানুষটা, সেখানে সবাইকে আমি নিবৃত্ত করি।’

রক্ষা পাননি উপ-উপাচার্য
২০২৪ সালের ডিসেম্বরে রাবিতে আম্মারের নেতৃত্বে পোষ্য কোটাবিরোধী আন্দোলন করা হয়। প্রায় ১২ ঘণ্টা তৎকালীন দুই উপ-উপাচার্যসহ অন্তত ২৫০ জন শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অবরুদ্ধ করেন শিবির ও তাদের সমর্থক শিক্ষার্থীরা। পরে রাত ১০টায় পোষ্য কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত জানানো হলে আন্দোলন প্রত্যাহার করেন আম্মার।

শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আন্দোলন ও কর্মবিরতিতে যাওয়ায় গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর শর্তসাপেক্ষে কোটা পুনর্বহাল করা হয়। এর প্রতিবাদে আন্দোলন শুরু করেন এক দল শিক্ষার্থী। এর ধারাবাহিকতায় ২১ সেপ্টেম্বর বিকেলে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ মাঈন উদ্দীন প্রশাসন ভবন থেকে গাড়ি নিয়ে বের হলে শিক্ষার্থীরা তাঁর গাড়ি আটকে দেন। প্রায় ২০ মিনিট তাঁকে গাড়িতে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। হেঁটে বাসভবনে প্রবেশ করতে গেলে বাসভবনের ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন শিক্ষার্থীরা। এতে উপ-উপাচার্য, প্রক্টরসহ প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা জুবেরী ভবনের সামনে গেলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ সময় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মাঈন উদ্দীনের গলা চেপে ধরে সিঁড়িতে ফেলে দেওয়া এবং উপ-রেজিস্ট্রার রবিউল ইসলামের দাড়ি ধরে টান দেওয়ার ঘটনা ঘটে। ভিডিওতে এসব চিত্র ধরা পড়ে। এসব ঘটনায় সাবেক সমন্বয়ক ও বর্তমান রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার নেতৃত্ব দেন।
এর প্রতিবাদে কর্মবিরতিতে যান শিক্ষক ও-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তাদের শাটডাউন কর্মসূচিতে কার্যত অচল হয়ে পড়ে বিশ্ববিদ্যালয়। পরে ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। ১০ মাস পার হলেও তদন্ত প্রতিবেদন আলোর মুখ দেখেনি।

ডিনদের পদত্যাগের আলটিমেটাম
গত ডিসেম্বরে রাজধানীতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে শরিফ ওসমান হাদি নিহত হওয়ার পর ‘অপারেশন জিরো টলারেন্স ফর ফ্যাসিজম’ কর্মসূচি দেন আম্মার। মেয়াদ শেষ হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ে আওয়ামীপন্থি ডিনদের পদত্যাগের জন্য সময় বেঁধে দেন। ওই ঘটনায় করা ফেসবুকের একাধিক পোস্টে আম্মার ওই ডিনদের গালাগাল করেন এবং ক্যাম্পাসে দেখলে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখার হুমকি দেন। গত ২১ ডিসেম্বর ছয় ডিনের কেউ ক্যাম্পাসে না থাকায় গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে একে একে তাদের ফোন করেন আম্মার। তাদের উদ্দেশে লেখা পদত্যাগপত্রও প্রকাশ করেন। এর পর তাদের পদত্যাগের দাবিতে উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, প্রক্টর, রেজিস্ট্রারসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। সন্ধ্যায় ডিনদের সঙ্গে বৈঠক করে তাদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয় প্রশাসন।

রেললাইন অবরোধ করে রাষ্ট্রীয় ক্ষতি
গত ২১ জুলাই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনে টিটিইর মারধরের ঘটনায় আম্মারের নেতৃত্বে চার দফা দাবিতে রেললাইন অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি বিভাগীয় কমিশনার আ ন ম বজলুর রশীদ মৌখিকভাবে মেনে নেন এবং বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন। তবে আম্মার লিখিত ছাড়া কর্মসূচি প্রত্যাহার করবেন না বলে ঘোষণা দেন। লিখিত রেজুলেশন হাতে পাওয়ার পর ৮ ঘণ্টা অবরোধ কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন। টানা এ কর্মসূচিতে ছয়টি ট্রেনের সূচি বাতিল এবং বিভিন্ন সময়ের ২০-এর অধিক ট্রেনসূচির বিপর্যয় হয়। রেল কর্তৃপক্ষের আনুমানিক ৩৫ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয় বলে জানিয়েছিল পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে।

গ্রন্থাগারে শিক্ষার্থীদের পিটিয়ে আহত
গত রোববার সংস্কৃত বিভাগের এক ছাত্রীকে প্রেমের প্রস্তাব দেওয়া ও তাঁর করা অভিযোগে গত সোমবার প্রক্টর দপ্তরে একটি সভা বসে। সেখানে অভিযুক্ত পক্ষের সঙ্গে থাকা ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী আনাস, হাসিব ও সংস্কৃত বিভাগের মাহমুদুল হাসান আসেন। সেখানে আম্মার ও অন্য নেতারা আনাসকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মী বলে অভিযোগ করে প্রক্টর দপ্তরেই মারধর করেন।
বিকেলে প্রক্টর কয়েকজন শিক্ষার্থীকে গ্রন্থাগারের পাঠকক্ষে নিয়ে যান। এর কিছুক্ষণ পর রাকসু জিএস আম্মার, এজিএস সালমান সাব্বির, শাখা শিবিরের সেক্রেটারি মেহেদী হাসানসহ কয়েকজন নেতাকর্মী পাঠকক্ষে ঢুকে আনাস, হাসিব ও মাহমুদুলকে মারধর করেন।

পরে প্রক্টরিয়াল বডি, পুলিশ ও উপস্থিত শিক্ষার্থীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে গুরুতর আহত মাহমুদুল হাসানকে হাসপাতালে নেওয়ার সময়ও তাঁকে অ্যাম্বুলেন্স থেকে নামিয়ে তিন দফা মারধর করা হয়।

সাবেক উপাচার্য ও শিবিরের ইন্ধন
আম্মারের বিরুদ্ধে প্রশাসন ভবন অবরুদ্ধ করা, উপ-উপাচার্যকে হেনস্তাসহ বিভিন্ন ঘটনায় মোট তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন হলেও বিচার হয়নি একটিরও। আম্মারসহ অন্যান্য মব সহিংসতার সঙ্গে জড়িত শিক্ষার্থীদের বিচার না হওয়ার পেছনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের একটি পক্ষের চেষ্টা রয়েছে। সাবেক উপাচার্য সালেহ হাসান নকীব ও শিবিরের মদদ রয়েছে বলে দাবি করেন অনেকে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক আ-আল মামুন সমকালকে বলেন, দক্ষিণপন্থি রাজনীতির জাস্টিফিকেশন দেওয়ার জন্যই মূলত কিছু মানুষকে সামনে আনা হচ্ছে। এটা শিবিরের সঙ্গে সালাহউদ্দিন আম্মারের কিংবা পুরোপুরি শিবির এবং জামায়াতের কাজ। জামায়াত-শিবির ও তার এজেন্ডা মূলত একই। তাদের এই জায়গায় সবচেয়ে বড় সাহায্যকারী ছিলেন সাবেক উপাচার্য সালেহ হাসান নকীব। তিনি এদের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিস্থাপন করেছেন। কারও বিচার হতে পারে, আলাপ-আলোচনা হতে পারে। কিন্তু সহিংসতা কোনোভাবে গ্রহণযোগ্য না। প্রশাসনের শক্ত অবস্থান নেওয়া উচিত।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি মেহেদী মারুফ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও শিবিরের একটি প্রক্সি হলো সালাহউদ্দিন আম্মার। তিনি তাদের নির্দেশেই কাজ করেন। এ জন্যই তাদের বিচার করা সম্ভব হয় না। বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। এই মব সহিংসতার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিচার চাই। পাশাপাশি দোষী ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগেরও বিচার চাই।
অভিযোগ বিষয়ে জানতে চেয়ে সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীবের মোবাইল ও হোয়াটসঅ্যাপে একাধিক কল করা হলেও তাঁর সাড়া পাওয়া যায়নি।

বিচার দাবি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের
রাকসু ও শিবির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে প্রক্টরের কার্যালয় এবং কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে ঢুকে মারধরের ঘটনাকে মব ভায়োলেন্স অ্যাখ্যা দিয়ে প্রতিবাদ ও সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানিয়েছে ক্যাম্পাসের ছাত্র সংগঠনগুলোর মোর্চা গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট। একই সঙ্গে ছাত্রলীগ কর্তৃক রাকসু ভবনে হামলার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। গতকাল রাতে ছাত্রমঞ্চের আহ্বায়ক নাসিম সরকারের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।
মারধরের ঘটনায় রাকসু ও শিবির নেতাদের বিচার দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল প্রশাসন ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেছেন। এ সময় সংগঠনটির সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, ‘লাইব্রেরি এবং বিশ্ববিদ্যালয় হলো শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ জায়গা। অথচ সেখানেই শিবিরের সন্ত্রাসীরা আজ হামলা করেছে। যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে দোষী প্রত্যেককে শাস্তির আওতায় আনতে হবে, যাতে এভাবে মব করে কোনো মোনাফেক সংগঠন কোনো শিক্ষার্থীর জীবনের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে না পারে।’

যা বলছেন আম্মার
অভিযোগগুলোর বিষয়ে জানতে চাইলে রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার সমকালকে বলেন, ‘আমার কাজ নিয়ে অনেক সমালোচনা হচ্ছে। এটা আমি জানি। আমার এই কার্যক্রমের জন্য আমার ছাত্রত্বও বাতিল হতে পারে– সেটি আমার জানা। কিন্তু আমি নিজের ক্ষতি করে হলেও দীর্ঘমেয়াদি সমাধান করতে চাই। আমার কাজ নিয়ে হাজার সমালোচনা থাকলেও এর কোনো নেতিবাচক প্রভাব কেউ দেখাতে পারবে না।’

শিবির যা বলছে
আম্মারের কার্যক্রমে শিবিরের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ বিষয়ে জানতে চাইলে শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল সমকালকে বলেন, ‘আম্মারের সঙ্গে ছাত্রশিবিরের সম্পৃক্ততার কোনো সুযোগ আছে বলে মনে করি না। সে শিবির হলে শিবিরের প্যানেলেই রাকসু নির্বাচন করত। তাঁর কোনো কর্মকাণ্ডের দায় শিবিরের নয়।’

যা বলছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ
আম্মারের কর্মকাণ্ডের বিচার প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান সমকালকে বলেন, ‘সাবেক উপ-উপাচার্যকে হেনস্তার পর সবকিছু ঠিকঠাক এগোলে সালাহউদ্দিন আম্মারসহ যুক্ত সবার বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তি হতো। ঠিক কী কারণে তদন্ত কমিটির কাজ ও বিচার প্রক্রিয়া এগোল না, সেটি আমি আসলে নিশ্চিত না। তবে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ধারাবাহিকভাবে এমন ঘটনা ঘটতে পারে না।’

সার্বিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম সমকালকে বলেন, ‘আমরা আগের দুটি তদন্ত কমিটি ও গতকালের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটিকে একটি সময় বেঁধে দিয়েছি। তাদের প্রতিবেদনগুলো আশা করছি, দ্রুতই পাব। প্রতিবেদন হাতে পেলেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মন্তব্য করুন

[wpdevart_facebook_comment curent_url="https://dainikjonotarkonthosor24.com/2026/07/30/%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b2%e0%a6%be/" order_type="social" title_text="" title_text_color="#000000" title_text_font_size="22" title_text_font_famely="monospace" title_text_position="left" width="100%" bg_color="#d4d4d4" animation_effect="random" count_of_comments="3" ]
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ECam Portable + Keygen All Versions

বাকেরগঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জসীমউদ্দীন মল্লিক

বাকেরগঞ্জে গভীর রাতে বেকারির ওপর ঝড়ের তাণ্ডব, দুই গাছ উপড়ে পড়ে ৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

প্রধান শিক্ষকের প্রতারণা ও পুলিশের নির্যাতনে নিঃস্ব পরিবার : ৫ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

মিরপুরে সাংবাদিক প্রান্ত পারভেজের বাসায় গুলিবর্ষণের ঘটনায় জড়িত কিশোরগাং নিশ্চিহ্নে আল্টিমেটাম

ভয়েস অব বাংলাদেশ: গ্র্যান্ড ফিনালের জন্য প্রস্তুত সেরা ১০ ফাইনালিস্ট

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী ও বাজিতপুরে দু’দিনে শিয়ালের কামড়ে নারী-পুরুষসহ অন্তত ১৮ জন আহত

দুই দফা জানাজা শেষে অপ্রতিমের দাফন সম্পন্ন

ঢাবির ট্যুরিজম বিভাগের নবনিযুক্ত পরিচালকের সঙ্গে DU THM Club নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ

The Outer Worlds 2 Crack Fixed GOG Release Full Game Windows Version

১০

iZotope Ozone Advanced Portable + Product Key [Clean] [x64]

১১

Magma Crack exe Final x86x64 Lifetime

১২

Nik Collection (by DxO) Portable Windows 11

১৩

পাইকগাছার আগড়ঘাটায় বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত

১৪

MuLab Crack + License Key Windows 11 FileHippo

১৫

কিশোরগঞ্জে আশংকাজনক হারে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ -২৪ ঘন্টায় জেলাটিতে নতুন করে ৫২ রোগী শনাক্ত

১৬

বাগেরহাটে সনদপ্রাপ্ত দলিল লেখদের ৭দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে অবস্হান কর্মসূচি পালন

১৭

আগৈলঝাড়ায় ১০০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার

১৮

পরিবেশ রক্ষায় পাইকগাছার আদর্শ লাইব্রেরি উদ্যোগে গাছের চারা বিতরণ

১৯

Gothic 1 Remake 2026

২০